• শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:৩৫ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজ :
জামালপুরে ভাষা সৈনিক অধ্যক্ষ সুজায়েত আলি মিঞা স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে সুফল—২ প্রকল্পের বন্যা পূর্বাভাস তথ্য প্রদানকারী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়িতে ডাঃ মুরাদ এর বিরুদ্ধে কটুক্তি ও ইউএনও উপমা ফারিসার অপসারন দাবীকারীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ মাবেশ জামালপুরে কেক কাটা, পিঠা উৎসব ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে এস এ  টিভির জন্মদিন পালিত দেওয়ানগঞ্জে সীডস এর মাধ্যমে ব্যবসা সহায়তা উপকরণ বিতরণ রাজিবপুরে ১৯০৮ পিচ ইয়াবা ৩টি মোবাইল সেট ও নগদ ১২ হাজার টাকাসহ ২ জন গ্রেফতার জামালপুরে শিশু স্বাস্থ্যের পুষ্টিগত অবস্থার অনুসন্ধান শীর্ষক সভা জামালপুরে ৫টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে ৪৩তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন কুড়িগ্রামে ইয়ং ইনোভেটরস বাংলাদেশ এর শীতবস্ত্র বিতরন

ভিয়েতনামে যে কারণে করোনায় মৃত্যু শূন্য ও আক্রান্ত কম

জেএম নিউজ ডেক্স :

ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ের রাজপথে এক ব্যক্তির তাপমাত্রা পরীক্ষা করছেন স্বাস্থ্যকর্মী। ছবি: রয়টার্সবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ এপ্রিল মঙ্গলবার দেওয়া তথ্যমতে, ভিয়েতনামে করোনাভাইরাসে কোনো ব্যক্তি এখন পর্যন্ত মারা যায়নি। যেখানে এর প্রতিবেশী চীনসহ এশিয়ার দেশগুলোয় করোনায় আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু চিকিৎসক, সাধারণ মানুষ সরকারগুলো ভাবিয়ে তুলেছে, সেখানে ভিয়েতনাম কী করে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করে রেখেছে এবং আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যু শূন্যের কোঠায় ধরে রেখেছে, সেটাই আশ্চর্যের

গণমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, ভিয়েতনাম সরকারিভাবে স্বাস্থ্য খাতের বিনিয়োগ রোগের চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধ করার যে কর্মসূচি বহুদিন ধরে চর্চা করে আসছে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সেটি বড় ঢাল হিসেবে কাজ করেছে। আর যখন করোনাভাইরাস বাকোভিড১৯দুনিয়াজুড়ে ছড়িয়ে পড়েনি, তার আগেই ভিয়েতনাম গোটা দেশটাই লকডাউন করে দিয়েছে। এতে ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়েছে

 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সর্বশেষ এপ্রিল মঙ্গলবার দেওয়া তথ্যমতে, ভিয়েতনামে করোনাভাইরাসে কোনো ব্যক্তি এখন পর্যন্ত মারা যায়নি। যেখানে এর প্রতিবেশী চীনসহ এশিয়ার দেশগুলোয় করোনায় আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু চিকিৎসক, সাধারণ মানুষ সরকারগুলো ভাবিয়ে তুলেছে, সেখানে ভিয়েতনাম কী করে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করে রেখেছে এবং আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যু শূন্যের কোঠায় ধরে রেখেছে, সেটাই আশ্চর্যের

গণমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, ভিয়েতনাম সরকারিভাবে স্বাস্থ্য খাতের বিনিয়োগ রোগের চিকিৎসার চেয়ে রোগ প্রতিরোধ করার যে কর্মসূচি বহুদিন ধরে চর্চা করে আসছে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সেটি বড় ঢাল হিসেবে কাজ করেছে। আর যখন করোনাভাইরাস বাকোভিড১৯দুনিয়াজুড়ে ছড়িয়ে পড়েনি, তার আগেই ভিয়েতনাম গোটা দেশটাই লকডাউন করে দিয়েছে। এতে ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়েছে

  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সর্বশেষ ( এপ্রিল মঙ্গলবার রাত আটটা) তথ্য অনুযায়ী ভিয়েতনামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৪৫। আর যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী সংখ্যাটি ২৪৯। তবে উভয় সংস্থা বলছে, ভিয়েতনামে করোনা ভাইরাসে এখন পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি। দেশটিতে ইতিমধ্যে ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন ১২৩ জন

 চীনের উহান থেকে দেশে ফেরা ৬৬ বছর বয়সী এক ভিয়েতনামী প্রথম করোনাভাইরাসে শনাক্ত হন। আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩ জানুয়ারি প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের খবর প্রকাশ করে ভিয়েতনাম সরকার। ওই দিন থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্তকোভিড১৯রোগীর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ১৪ জনে। এর মধ্যে জন চীনা নাগরিক ছাড়া বাকি সবাই ভিয়েতনামী।

ব্যাপক আকারে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে তখনই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয় সরকার। পাশাপাশি করোনাভাইরাস নিয়ে ব্যাপক আকারে প্রচার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে। কীভাবে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে, কী করলে সুস্থ থাকবে, এটাই ছিল প্রচারের মূল্য বক্তব্য। এসবের পাশাপাশি দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের খুঁজে খুঁজে বের করে পরীক্ষা করেছে

তবে গত মার্চ সর্বনাশটা ঘটায় দেশটির একজন প্রভাবশালী নারী ব্যবসায়ী। ইউরোপের তিনটি দেশ ঘুরে ওই ব্যবসায়ী ভিয়েতনামের হ্যানয় বিমানবন্দরের দায়িত্বরত কর্মচারীদের পরীক্ষা ফাঁকি দিয়ে ঢুকে পড়েন দেশে। বিমানবন্দরের পরীক্ষায় ফাঁকি দিলেও ভিয়েতনামের পুলিশ তাঁকে ঠিকই আটক করে। এরপর জানা যায়, তিনি করোনায় আক্রান্ত

এরপর ভিয়েতনাম সরকার একটা বড় পদক্ষেপ নেয়। সেটি হলো, ওই নারী যে বিমানে এসেছিলেন, তার সব যাত্রীকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। তিনি যে রাস্তা দিয়ে গিয়েছিলেন, সেই রাস্তা জীবাণুমুক্ত করা হয়, সেই পথের ধারে বাস করা প্রত্যেককে পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু এত সব করার পরও আক্রান্তের সংখ্যা ১৭তে ঠেকিয়ে রাখা যায়নিসেটি বেড়ে দাঁড়ায় ২৪৯ জনে।

ভিয়েতনামের স্বাস্থ্য বিভাগ মনে করে, যদি ইউরোপফেরত নারী যাত্রী বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ফাঁকি না দিতেন, তাহলে আক্রান্তের সংখ্যা এত বাড়ত না। কারণ, তিনি যেসব স্থানে গেছেন, সেখানের সবাইকে পরীক্ষার মধ্যে আনলেও সবকিছু ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি

তবে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানের তুলনায় ভিয়েতনাম এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যা করেছে, তা সারা দুনিয়ার জন্য অনুকরণীয়।

করোনাভাইরাসের কারণে পর্যটননির্ভর দেশটি আগামী তিন মাসেই দশমিক থেকে বিলিয়ন মার্কিন ডলার হারাবে। তারপরও মৃত্যু সংক্রমণ ঠেকিয়ে রাখাকেই দুনিয়া অন্য নজরে দেখছে। শুধু তা নয় দেশটি কম দামে করোনা শনাক্তকরণ কিটও তৈরি করছে

সূত্র: দ্য ডিপ্লোম্যাট জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইট


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।