• রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজ :
জামালপুর সরকারি বালিকা ‍উচ্চ বিদ্যালয় পাঠ্য বই ও  সিলেবাসের মধ্যে থেকেই হয়েছে পরীক্ষার প্রশ্ন– প্রধান শিক্ষক জামালপুর-২ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী শরিফুল ইসলাম খান ফরহাদের কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত জামালপুর পৌরসভার কার্যক্রমকে গতিশীল করতে পৌর প্রশাসক মৌসুমী খানমের উদ্যেগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে জাতীয় প্রাণীসম্পদ সপ্তাহের উদ্ভোধন রাজশাহীতে খুন বিচারক পুত্রের দাফন সরিষাবাড়ীর নিজ বাড়িতে সম্পন্ন সানন্দবাড়ীতে মাল্টি -স্টেকহোল্ডারস প্লাটফর্ম এমএমপি গঠন ও পরিকল্পনা প্রণায়ন সভা  জামালপুরে স্থিতিশীল তামাক নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জামালপুর পৌর প্রশাসকের উদ্যোগে আর্থিক অনুদান প্রদান জামালপুরে পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে ডিজিটাল প্লাটফর্মে আয় বাড়াতে ২ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি’র নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা

সরিষাবাড়ীতে পানির স্রোতে ভেঙ্গে গেলো ঝিনাই নদীর ব্রীজ ॥ দুই উপজেলার ২৫টি গ্রামের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

মোস্তাক আহমেদ মনির, সরিষাবাড়ী ( জামালপুর) থেকেঃ
জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ঝিনাই নদীর ওপর স্থাপিত ২০০ মিটার ব্রীজের একটি পিলার ও দুইটি গার্ডার বন্যার পানিতে ভেঙ্গে ভেসে গেছে। ব্রীজটি ভেঙ্গে যাওয়ায় দুই উপজেলার অন্তত ২৫ টি গ্রামের মানুষের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে শুয়াকৈর-হদুর মোড় সংলগ্ন ঝিনাই নদীর ওপর ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ ব্রীজটি তৈরি করা হয়। হঠাৎ করে মঙ্গলবার সকালে বন্যার পানির তোড়ে ওই ব্রীজের মাঝামাঝি ২০ মিটার দৈর্ঘ্যের ২টি গার্ডারসহ ১টি পিলার প্রায় ১ ফুট ঢেবে যায়। খবর পেয়ে দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিহাব উদ্দিন আহম্মেদ, এলজিইডির প্রকৌশলী রাকিব হাসান ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হুমায়ূন কবীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সে সময় পুরো ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে বলে মানুষ ও যান চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষনা করে উপজেলা প্রশাষন। পরে মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে ঢেবে যাওয়া পিলারসহ ২ টি গার্ডার মুল ব্রীজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নদীতে ভেসে যায়। ব্রীজটি ভাঙ্গার ফলে সরিষাবাড়ী ও মাদারগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের অন্তত ২৫টি গ্রামের মানুষের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
শুয়াকৈর গ্রামের একেএম আশরাফুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম দুলু ও সোনাকান্দর গ্রামের শামসুল হক বলেন, সরিষাবাড়ী উপজেলা শহরের সাথে আমাদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিলো এই ব্রীজটি। সেটাও আজ ভেঙ্গে গেলো। আমাদের চলাচলের আর কোন রাস্তা নেই। একটা মানুষ অসুস্থ্য হলেও হাসপাতালে নেয়ার মতো কোন ব্যবস্থা নেই। আমাদের দাবী যাতে অতি তারাতারি আমাদের এই দুই উপজেলার মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তার এই ব্রীজটি ঠিক করে দেয়া হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিহাব উদ্দিন আহমদ জানান, ব্রীজটির একাংশ দেবে যাওয়ার খবর পেয়ে আমি গিয়েছিলাম। আর মঙ্গলবার দুপুরেই সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করা হয়েছিলো। পরে মঙ্গলবার রাতেই ব্রীজটি ভেঙ্গে পানিতে ভেসে গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।