• মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজ :
জামালপুরে অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদের অভিযোগে দুইজনকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত এসআইডব্লিউএবির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হলেন দেওয়ানগঞ্জের আহসান হাবীব জুয়েল জামালপুরে নদ খননের নামে কৃষি জমি খনন জামালপুর সদরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে আহত করায় থানায় অভিযোগ দায়ের  জামালপুর সদরের নান্দিনায় অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান করেছে প্রশাসন জামালপুর বিপুল পরিমান মদ সহ ২ জনকে আটক করেছে ৩৫ বিজিবি ২৫ মার্চ গণহত্যায় নিহত শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানালেন এম শুভ পাঠান জামালপুরের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্বোধন  জামালপুর পৌরসভায় ভিজিএফ এর চাল বিতরণ উদ্বোধন করলেন মানবিক পৌর প্রশাসক মৌসুমি খানম বকশীগঞ্জে জেলা প্রশাসকের দপ্তর পরিদর্শন ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ

জামালপুরে পাঁচ জেএমবি সদস্যকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড

জামালপুর প্রতিনিধিঃ
জামালপুরে পাঁচ জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি) সদস্যকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে জামালপুর বিশেষ আদালত। বুধবার দুপুরে জামালপুর বিশেষ আদালতের বিচারক স্পেশাল জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির এই দন্ডাদেশ দেন।
দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলো- ময়মনহিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের সৈয়দ আলীর ছেলে কারী সাইদুর রহমান (৪০), চন্ডিমন্ডপ গ্রামের নবাব আলীর ছেলে আক্কাস আলী (৩৮), জামালপুর সদর উপজেলার চিথলিয়া গ্রামের ফয়েজ আলীর ছেলে সাইদুল মিয়া (৪৮), দখলপুর গ্রামের সেকান্দর আলীর ছেলে মো: রুকনুজ্জামান (৩১) ও বন্দ চিথলিয়া গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে আজিজুল হক (৫০)।
রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি মোহাম্মদ খাজা আলম জানান, ২০০৯ সালের ১৫ জুলাই গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামালপুর সদর উপজেলার বন্ধ চিথলিয়া গ্রামের আজিজুল হকের বসত ঘরে অভিযান পরিচালনা করে ময়মনসিংহ র‌্যাব-৯। এ সময় নাশকতামূলক কর্মকান্ড ঘটানোর উদ্দেশ্যে লোহার পাইপের শর্ট পিস, কাঁচের বোতল, আনুয়ঙ্গিক বিস্ফোরক দ্রব্য ও জিহাদী বইসহ জেএমবি’র সক্রিয় সদস্য কারী সাইদুর রহমান ও আক্কাস আলীকে আটক করা হয়। পরে তাদের তথ্যমতে একই অভিযোগে সাইদুল মিয়া, মো: রুকনুজ্জামান ও আজিজুল হককে আটক করা হয়। আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের পর অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত আসামীদের জেলা হাজতে প্রেরণ করেন। ২০০৯ সালের ২৭ আগষ্ট অভিযোগপত্র দাখিলের পর একই বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর মামলাটি বিচারের জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে মো: রুকনুজ্জামান জামিন নিয়ে বর্তমানে পলাতক রয়েছে। এরপর ২০১৩ সালের ৩ মার্চ মামলটি নিষ্পত্তির জন্য বিশেষ আদালতে প্রেরণ করা হয়। ৯ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষের ভিত্তিতে দীর্ঘ বিচারের পর প্রত্যেককেই সন্ত্রাস বিরোধী আধ্যাদেশ ২০০৮ এর ৮ ধারা অনুযায়ী ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ড, ৯(৩) উপধারায় ৫ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদন্ড এবং ১০ ধারা অনুযায়ী ১০ বছরের সশ্রম কারাদন্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন জামালপুর বিশেষ আদালত। পলাতক আসামী ব্যাতীত অপর চার আসামীর উপস্থিতেই এই রায় দেয়া হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি ছিলেন অতিরিক্ত পিপি মোহাম্মদ খাজা আলম এবং আসামী পক্ষের আইনজীবি ছিলেন অ্যাডভোকেট মো: জাবেদ আলী, শেখ মো: আবুল কালাম আজাদ ও মো: জাহাঙ্গীর আলম।

 


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।