• শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজ :
জামালপুরে বিএনপি নেতাদের বাড়িঘর ও দোকানপাটে জামায়াতের হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণ শুরু জামালপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে যৌথবাহিনীর মহড়া অনুষ্ঠিত বিএনপির সমপর্যায়ে কোন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নেই- ওয়ারেছ আলী মামুন জামালপুরে শুভ পাঠানের নেতৃত্বে ধানের শীষ প্রতীকে পক্ষে প্রচার মিছিল ও আলোচনা সভা জামালপুরে আসন্ন রমজান উপলক্ষে দোস্ত এইডের ৫০০ ফ্যামিলি ফুড প্যাকেট বিতরণ জামালপুর সহ ৩ জেলায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৪৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকবে — ৩৫ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান, পিএসসি মোবারক আলী ওরফে মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের পক্ষ নিয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করাসহ দুর্নীতির অভিযোগ জামালপুর সদরে ৫ আসনে তৃণমূল ভোটারদের মন জয় করতে ব্যস্ত ফুটবল প্রতীকের মাসুদ ইব্রাহীম জামালপুর সদরে ৫ আসনে ফুটবল প্রতীকে ভোট প্রার্থনায় স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী মাসুদ ইব্রাহীম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রস্তাবকারীকে মারধর মনোনয়নপত্র জমাদানে বাঁধার অভিযোগ//থানায় জিডি

স্টাফ রিপোর্টার ঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার  বাঞ্ছারামপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবু কায়েস শিকদারের প্রস্তাবকারীকে মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ও প্রার্থীর বড় ভাই মোহাম্মদ আবু কাউছার শিকদার বাঞ্ছারামপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ১২টা ৪৫ মিনিটে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবু কায়েস শিকদারের মনোনয়নপত্র জমা দিতে উপস্থিত হন মোহাম্মদ আবু কাউছার শিকদার। এ সময় লাল রঙের জ্যাকেট ও কালো চশমা পরিহিত মুখে চাপদাড়ি থাকা এক ব্যক্তির নেতৃত্বে ১০–১২ জন তাকে ঘিরে ধরে। অভিযুক্তরা তাকে জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং একপর্যায়ে টেনে-হিঁচড়ে ভবনের বাইরে নিয়ে মারধর করে। পরে বাইরে থাকা আরও কয়েকজন তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারতে থাকে। এ সময় অভিযুক্তরা “নির্বাচন করার সাধ জীবনের মত মিটিয়ে দিবে” বলে হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর দাবি, হামলার সময় তার সঙ্গে থাকা মোহাম্মদ ফারুক হোসেনকে হামলাকারীরা চিনতে না পরায় মনোনয়নপত্র ছিনিয়ে নিতে পারেনি। তিনি জানান, অভিযুক্তরা এলাকার পরিচিত উচ্ছৃঙ্খল ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি।
এ ঘটনায় ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ও আইনগত সুরক্ষার জন্য বাঞ্ছারামপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। জিডিতে ইমান আলী নামের এক ব্যক্তিসহ অজ্ঞাতনামা ৩০–৪০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

জিডি পরবর্তীতে শাহ-আলম নামের অপর এক হামলাকারীকে শনাক্ত করতে পেরেছেন ভুক্তভুগী।

বাঞ্ছারামপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।