• শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজ :
জামালপুর সদরের নান্দিনায় অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান করেছে প্রশাসন জামালপুর বিপুল পরিমান মদ সহ ২ জনকে আটক করেছে ৩৫ বিজিবি ২৫ মার্চ গণহত্যায় নিহত শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানালেন এম শুভ পাঠান জামালপুরের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্বোধন  জামালপুর পৌরসভায় ভিজিএফ এর চাল বিতরণ উদ্বোধন করলেন মানবিক পৌর প্রশাসক মৌসুমি খানম বকশীগঞ্জে জেলা প্রশাসকের দপ্তর পরিদর্শন ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ জামালপুরস্থ ইসলামপুর সমিতির উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জামালপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও মহান শহিদ দিবস উপলক্ষে প্রতিযোগীতা, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ জামালপুরে দুইটি গুড়ের দোকানকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা জামালপুরে শুভ পাঠানের নেতৃত্বে জিয়া সাইবার ফোর্সের ১১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে চলছে অবাধে ড্রেজার মেশিন 

এম.এ মোস্তাইন বিল্লাহ দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধিঃ
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন জায়গায় চলছে এক শ্রেণীর অসাদু ব্যবসায়ীদের  মাটি ও বালু ব্যবসা। সরেজমিনে কয়েকটি জায়গায়  ঘুরে ঘুরে দেখা গেছে,পাররামরামপুর ইউনিয়নের ডিগ্রিরচরের মিন্টু মিয়া, পিতা মোঃ ছয়দুর রহমানের  নেতৃত্বে চলেছে অবৈধ বালু উত্তোলনের ড্রেজার মেশিন । এতে ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে চারপাশের শত শত বিঘা ফসলী জমি।পাথরের চর চেংটিমারী বিপ্লব মিয়ার নেতৃত্বে চলেছে ড্রেজার মেশিন, হুমকির মুখে পড়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবর সহ ফসলী জমি।হাতীভাঙ্গা ইউনিয়নের নয়াগ্রামে চলছে দুইটি ড্রেজার মেশিন, ডাংধরা ইউনিয়নের বাঘারচর সরকার পাড়ায় আবুল কালাম আজাদ পিতাঃ মৃত্যু ফজলুল হক সরকার এর নেতৃত্বে চলেছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে  চারপাশের ফসলি জমি। বাঘারচর বাজার এলাকায় মোঃ আসমাউল হোসেন পিতাঃ মৃত্যু ফুলু মুন্সি তার নেতৃত্বে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ব্যবসা, কাঁদছে শত কৃষক। এসব অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের ব্যবহারে মনে হচ্ছে নিরীহ মানুষের বেঁচে থাকা এক অভিশাপ হয়ে দাড়িয়েছে। এসকল ক্ষতিগ্রহস্থ কৃষক ড্রেজার মেশিন বন্ধের প্রতিবাদ করলে এই প্রভাবশালী অসাধু ব্যবসায়ীরা শক্তিশালী রাজনৈতিক নেতাদের  ভয় দেখিয়ে জীবন নাশের হুমকি দিয়ে তাদের সত্যের শক্তিকে লাঘব করে রাখেন।এব্যাপারে প্রশাসনের সঙ্গে বারবারই যোগাযোগ করে সাময়িক সমাধা হলেও  এখনো স্থায়ী কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি বলে জানান নাম প্রকাশ না করা কয়েক জন কৃষক। তাই উর্ধতণ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করি ওইসব এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক’রাসহ সুধীমহল  তাদের দাবি, সমতল ফসলী জমি কেটে নিচু করা যাতে না হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।