• বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজ :
জামালপুরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী জামালপুরে শিশুতোষ গল্পের বই বিতরণ ও গল্প বলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে জ্বালানি সংকট নিরসনে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু ইসলামপুরে জুয়া চুরিসহ নানা অপকর্ম রোধে প্রতিবাদ সভা ​ জামালপুরে শুভ পাঠনের নেতৃত্বে নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসককে সংবর্ধনা  জামালপুরে অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদের অভিযোগে দুইজনকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত এসআইডব্লিউএবির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হলেন দেওয়ানগঞ্জের আহসান হাবীব জুয়েল জামালপুরে নদ খননের নামে কৃষি জমি খনন জামালপুর সদরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে আহত করায় থানায় অভিযোগ দায়ের  জামালপুর সদরের নান্দিনায় অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান করেছে প্রশাসন

এখনও পায়নি গণশিক্ষা শিক্ষকদের সম্মানী ভাতা

মোস্তাইন বিল্লাহ,
দেওয়ানগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার দেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল সহ সারা বাংলাদেশে নিরক্ষরতা দুরি করণের লক্ষ্যে সারা বাংলাদেশে বাস্তবায়ন হচ্ছে মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্প (৬৪জেলা) ২য় পর্যায়। এর ধারাবাহিকতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে জামালপুর জেলার দেওয়ানগনঞ্জ উপজেলায়। উক্ত উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন “সোস্যাল এসোসিয়েশন অব ইউনাইটেড এডভান্সমেন্ট” (এসএইউএ) সংস্থা।
সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোঃ মাসুদুর রহমান শোভন এর দায়িত্বে কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ৩০০(তিন শত)টি স্কুল কেন্দ্র চিহ্নিত ও ৬০০(ছয়শত) জন নারী-পুরুষ শিক্ষক- শিক্ষিকা এবং ১৫ জন সুপারভাইজার নিয়োগ দেন। উপজেলার আটটি ইউনিয়নে একযোগে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

প্রতিটি স্কুল কেন্দ্রের জন্য ১৫-৪৫ বছরের ৩০জন পুরুষ ও ৩০ জন মহিলা ছাত্র-ছাত্রী মনোনীত করা হয় এবং ২জন শিক্ষক -শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়। গত ১লা জানুয়ারি ২০১৯ইং হতে ক্লাস শুরু হয় এবং ৩০ জুন প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হয়। গণশিক্ষা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অভিযোগ এপর্যন্ত তাদের সম্মানীভাতা বকেয়া রয়েছে এবং দেওয়া হয়নি স্কুল কেন্দ্রের ঘর ভারা ও জ্বালানি খরচ।

গণশিক্ষা শিক্ষক চাঁন মিয়া বলেন- ২০১৯ সালের জুন মাসে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ এখন ২০২০ সালের জুন মাস প্রায় আসতেছে, এখন পর্যন্ত  আমাদের সম্মানীভাতা দেওয়া হচ্ছেনা আমরা কি খেয়ে দিন কাটাবো। একদিকে মহামারী করোনার প্রাদুর্ভাবে সব কিছু বন্ধ, অপরদিকে পাচ্ছিনা বকেয়া বিল, আমরা কি না খেয়ে মরবো?

গণশিক্ষা শিক্ষিকা রুপালী আক্তার বলেন- এমনি ছয়মাস চাকরি করার পর প্রজেক্ট শেষ হওয়ায় উপজেলার ৬০০ শিক্ষক বেকার হয়ে পরেছি, তার মধ্যে সম্মানী ভাতা বকেয়া পরায় আমরা আরও অচল অবস্থায় দিনকাল চলছে। তিনি আরও বলেন- নিজের পকেটের টাকায় স্কুল কেন্দ্রের ঘর ভারা ও জ্বালানি খরচে চালিয়েছি।

গণশিক্ষা শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন- এতোদিন হয়ে গেলো তবুও সম্মানীভাতা পাচ্ছিনা, একদিকে বেকারত্ব অবস্থায় জীবন যাপন করছি, অপরদিকে সম্মানী ভাতা পাচ্ছিনা, কেমনে জীবন চলে। এস,এই,উ,এ এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ মাসুদুর রহমানের কাছে বারবার ফোন করেছি, সে দেবো দেবো বলেই যাচ্ছে, কিন্তু কোন অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছিনা।

গণশিক্ষা শিক্ষক হাফিজুর রহমান বলেন- এতোদিন হয়ে গেলো তবুও সম্মানীভাতা পাচ্ছিনা,  নির্বাহী পরিচালক মোঃ মাসুদুর রহমান ফোনে একেক সময় একেক ধরনের কথা বলেন, কিন্তু কোন প্রকার ইতিবাচক সারা পাইনি। ইউএনও মহোদয়ের নিকট ফোন করেছি, তবুও কোন ফলাফল পেলাম না।

গণশিক্ষা শিক্ষক আরিফুর রহমান বলেন- এতোদিন গত হলো তবুও পেলামনা, আমাদের সম্মানীভাতা আদৌ কি পাবো? পেলে আরও কতদিন পরে পাবো???

এব্যাপারে সোস্যাল এসোসিয়েশন অব ইউনাইটেড এডভান্সমেন্ট (এসএইউএ) এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ মাসুদুর রহমান এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে, তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।