• শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজ :
জামালপুরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী জামালপুরে শিশুতোষ গল্পের বই বিতরণ ও গল্প বলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মাদারগঞ্জে জ্বালানি সংকট নিরসনে ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু ইসলামপুরে জুয়া চুরিসহ নানা অপকর্ম রোধে প্রতিবাদ সভা ​ জামালপুরে শুভ পাঠনের নেতৃত্বে নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসককে সংবর্ধনা  জামালপুরে অবৈধভাবে পেট্রোল মজুদের অভিযোগে দুইজনকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত এসআইডব্লিউএবির কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচিত হলেন দেওয়ানগঞ্জের আহসান হাবীব জুয়েল জামালপুরে নদ খননের নামে কৃষি জমি খনন জামালপুর সদরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে আহত করায় থানায় অভিযোগ দায়ের  জামালপুর সদরের নান্দিনায় অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান করেছে প্রশাসন

জিআই পন্য হিসেবে অনুমোদন পেল জামালপুরের নকশিকাঁথা

জামালপুর সংবাদদাতাঃ

জামালপুরের নকশিকাঁথাসহ আরও তিনটি পণ্যকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়ে জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়াল ৩১টি।

বৃহস্পতিবার নতুন তিন পণ্যকে জিআই স্বীকৃতি দিয়ে জার্নাল প্রকাশ করেছে শিল্প মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আরও তিনটি পণ্যকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়ে জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। পণ্য তিনটি হলো-যশোরের খেজুরের গুড়, রাজশাহীর মিষ্টি পান এবং জামালপুরের নকশিকাঁথা। এ নিয়ে বাংলাদেশে অনুমোদিত জিআই পণ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩১টি।

২০০৩ সালে বাংলাদেশে এ কাজের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে একে পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) নামে অভিহিত করা হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগের ফলে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন ২০১৩ পাস হয়। এর দুই বছর পর ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য বিধিমালা ২০১৫ প্রণয়ন করা হয়।

২০১৬ সালে জামদানি শাড়িকে বাংলাদেশে প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর স্বীকৃতি পায় আরও ২০টি পণ্য। সেগুলো হলো-বাংলাদেশের ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাত আম, বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, বাংলাদেশের কালিজিরা, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, রাজশাহী-চাপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, বাংলাদেশের বাগদা চিংড়ি, বাংলাদেশের শীতল পাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলশীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই ও কুষ্টিয়ার তিলের খাজা।

সম্প্রতি অনুমোদিত তিনটি পণ্য হলো-টাঙ্গাইল শাড়ি, নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা ও গোপালগঞ্জের রসগোল্লার। এই তিন পণ্যের জিআই অনুমোদনের কপি ও জার্নাল গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা। এতে জিআই পণ্যের সংখ্যা হয় ২৪টি। এরপর রংপুরের হাঁড়িভাঙ্গা আমসহ আরো চারটি পণ্যকে জিআই পণ্য হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়। আজকে আরও তিনটি জিআই পণ্যের জার্নাল প্রকাশিত হওয়ায় এর মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৩১টি।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।