ফজলে এলাহী মাকামঃ
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামালপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৩১ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে জামালপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুপ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের হাতে নিজ নিজ প্রতীক তুলে দেন। প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মঙ্গলবার তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় জেলার পাঁচটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ৩১ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন।
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে প্রতীক পেয়েছেন চারজন প্রার্থী। তারা হলেন— বিএনপির এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আব্দুর রউফ তালুকদার এবং জাতীয় পার্টির এ কে এম ফজলুল হক।
জামালপুর-২ (ইসলামপুর) আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। তারা হলেন— বিএনপির এ. ই সুলতান মাহমুদ বাবু, জামায়াতের মো. ছামিউল হক ফারুকী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সুলতান মাহমুদ সিরাজী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্ণব ওয়ারেস খান।
সবচেয়ে বেশি প্রার্থী রয়েছে জামালপুর-৩ (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) আসনে। এখানে নয়জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। তারা হলেন— বিএনপির মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামায়াতের মো. মজিবুর রহমান আজাদী, জাতীয় পার্টির মীর সামসুল আলম লিপটন, গণসংহতি আন্দোলনের ফিদেল নঈম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান আনছারী, গণঅধিকার পরিষদের লিটন মিয়া এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারজানা ফরিদ, সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী শুভ ও শিবলুল বারী রাজু।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন। তারা হলেন— বিএনপির মো. ফরিদুল কবীর তালুকদার, জামায়াতের মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আলী আকবর, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)-এর মো. মাহবুব জামান জুয়েল, গণঅধিকার পরিষদের মো. ইকবাল হোসেন এবং নাগরিক ঐক্যের মো. কবির হাসান।
এদিকে জামালপুর-৫ (সদর) আসনে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন— বিএনপির শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন, জামায়াতের মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ ইউনুছ আহাম্মদ, সিপিবির শেখ মো. আক্কাস আলী, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আবু সায়েম মোহাম্মদ সা’-আদাত উল করীম, জাতীয় পার্টি (জেপি)-এর মো. বাবর আলী খান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)-এর মো. আমির উদ্দিন এবং গণঅধিকার পরিষদের জাকির হোসেন।
নির্বাচনকে অবাদ ও নিরপেক্ষ করতে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী জানান,নির্বাচনের প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী আচরন বিধি মেনে নির্বাচন পরিচালনা করতে পারবে। সেই সাখে নির্বাচনে গণভোটের প্রচারনাও বিষয়েও এ পর্যন্ত লক্ষাধিক লিফলেট বিতরন করা হয়েছে ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে।