• বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজ :
জামালপুরে দুই কাউন্সিলরসহ ৫ আ.লীগ নেতা কারাগারে  জামালপুরে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বৈশাখী শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  জামালপুরের ইসলামপুরে দিনব্যাপী জেন্ডার ও জলবায়ু পরিবর্তন মেলা অনুষ্ঠিত দেওয়ানগঞ্জে অ্যাডভোকেট রোকনুজ্জামানের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত প্রয়াত বিএনপি সাবেক মহাসচিব কন্যা আরুনী তালুকদারের সাথে মতবিনিমিয় করলেন এম শুভ পাঠান জামালপুরে খবরের কাগজ ‘বন্ধুজন’ জেলা কমিটি গঠন ইসলামপুরে বিএনপির ৬ নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে ১৫পিস ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেফতার সানন্দবাড়ী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত দোস্ত এইডের সহায়তায় বকশীগঞ্জে ৯০ টি পরিবারের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণ

বকশীগঞ্জে করোনা আতঙ্কে ১০ বাড়ি লকডাউন

জিএম সাফিনুর ইসলাম মেজর,বকশীগঞ্জ(জামালপুর)প্রতিনিধি
জামালপুরের বকশীগঞ্জে করোনাভাইরাসের আতঙ্ক বেড়ে গেছে মানুষের মধ্যে । পাশ্ববর্তী শ্রীবরদী উপজেলায় এক নারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় এই আতঙ্ক চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানামুখি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শ্রীবরদী উপজেলার সাথে বকশীগঞ্জ উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। রাস্তা বন্ধ করে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ এবং গ্রাম পুলিশের সদস্যদের।
সেমাবার দুপুর ১২ টায় বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আ.স.ম. জামশেদ খোন্দকার শ্রীবরদী হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া দুই বাড়ির ১০ টি পরিবারকে লকডাউন ঘোষনা করেছে।
জানা গেছে, গত রোববার শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন আয়া করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে পুরো উপজেলা সহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার মাঝ পাড়া গ্রামের হামিদুর রহমানের দুই বছর মেয়ে এবং একই গ্রামের তারেক মিয়ার দেড় বছর বয়সি আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে যায়। ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়া করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর হামিদুর রহমানের মেয়ে ও তারেক মিয়া ছেলেকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ।
যেহেতু ওই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন আয়া কোরানায় আক্রান্ত হয়েছে তাই ওই হাসপাতালের রোগীরাও করোনা সংক্রমিত হতে পারেন।
খবর পেয়ে সোমবার দুপুর ১২ টায় বকশীগঞ্জ ইউএনও আ.স.ম. জামশেদ খোন্দকার মাঝ পাড়া গ্রামে গিয়ে ওই হামিদুর রহমান ও তারেক মিয়ার বাড়ির ১০ টি পরিবারকে লকডাউন ঘোষনা করেন।
লকডাউন ঘোষনার পর ওই দুই বাড়ি ও আশপাশের বাড়ির লোকজনদের বাড়ির বাইরের না যাওয়া এবং বাধ্যতামূলক ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

 


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।