• মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন |
  • English Version
ব্রেকিং নিউজ :
জামালপুরে ঈদুল আযহা উপলক্ষে সড়কে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিআরটিএ অভিযান পরিচালিত জামালপুরে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে ৫শতাধিক হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করলেন এম শুভ পাঠান দুঃখ প্রকাশ করলেন বিসিবির পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদ রেদওয়ান খানকায় চিশতিয়া দরবার শরীফের ওরস মোবারকের সমাপনী — এম শুভ গঠন ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে যমুনা সেতুর পূর্ব পাড়ে যানজট নিরসনে কাজ করছে জামালপুরের ৩৫ বিজিবি জামালপুরে তারেক শাহ্ ওরস মোবারক উদ্বোধনী পতাকা উত্তোলন  করলেন এম শুভ পাঠান  জামালপুরে রামিসা হত্যাকারী সোহেলরানার ফাঁসির দাবিতে প্রাইম ল্যাব স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন জামালপুর পৌরবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছে এম শুভ পাঠান জামালপুরে অবৈধ ইটভাটা ধ্বংস করল পরিবেশ অধিদপ্তর রাজিবপুরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন

বকশীগঞ্জ শহরে জনসমাগম বেড়েছে,স্বাস্থ্য ঝুঁকির আশঙ্কা!

বকশীগঞ্জ(জামালপুর)প্রতিনিধি
জামালপুরের বকশীগঞ্জে করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার গুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় না থাকায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে মানুষ। এছাড়াও পৌর শহররে আগের তুলনায় জনসমাগম বেড়ে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, করোনা ভাইরাসের কারণে গত ৭ এপ্রিল থেকে জামালপুর জেলা লকডাউন চলছে।
করোনা ভাইরাসের কারণে প্রথম দিকে প্রশাসনের কড়াকড়ির কারণে শহর ও বাজার গুলো জনশূন্য থাকলেও গত এক সপ্তাহ ধরে বাজার গুলোতে মানুষের সমাগম বেড়ে গেছে। লকডাউন ভেঙে জীবিকার তাগিদে মানুষ ঘর থেকে রাস্তা ও মাঠে ঘাটে বের হতে শুরু করেছে। বকশীগঞ্জ শহরের পুরাতন গরুহাটিতে রোববার ও বৃহস্পতিবার হলে তিল ধারণের ঠাই থাকে না।
এ ছাড়াও বকশীগঞ্জের সববৃহত নঈম মিয়ার বাজারে সামাজিক দূরত্বেও কোন বালাই নেই। বিশেষ করে যারা ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রামে ফিরেছেন তারাও হাট-বাজার গুলোতে বিচরণ করছেন।
বকশীগঞ্জ থেকে জেলা শহরের যোগাযোগ বৃদ্ধিতে বাস সার্ভিস ছাড়া সব ধরণের যান চলাচল অব্যাহত আছে। খোলা বাজারে বেচাকেনা চলছেই।
বকশীগঞ্জ শহর ছাড়াও কামালপুর বাজার, বাট্টাজোড় নতুন বাজার, সারমারা বাজার, নিলক্ষিয়া বাজার, জব্বারগঞ্জ বাজার বিনোদরচর বাজার সহ কয়েকটি বাজারে জনসমাগম ও মানুষের উপস্থিতি বেড়ে গেছে।
এতে করে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আইন না মানার কারণে জরিমানা করা হলেও মানুষের সমাগম ঠেকানো যাচ্ছে না। তবে স্থানীয় প্রশাসন মানুষকে নিরাপদে রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
স্থানীয়রা বলছেন প্রশাসন কঠোর না হলে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হবে না। আর তা সম্ভব না হলে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।