প্রতিবাদ লিপিঃ
গত ১৫ এপ্রিল জামালপুর সদরের চন্দ্রা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার অনুপস্থিত শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন জামালপুর সদর চন্দ্রা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার রাকিবা খাতুন।
এক প্রতিবাদ লিপিতে তিনি উল্লেখ করেন, জামালপুর সদরের চন্দ্রা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক ও সরকারি বরাদ্দের ওষুধ প্রাপ্তির ভিত্তিতে স্থানীয় জনসাধারণকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছে।
মোট জনবল পাঁচ জন থাকার কথা থাকলেও ফার্মাসিস্ট ও মেডিকেল অফিসার দুইজন জনবল কম আছে এ উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে। এজন্য পাঁচ জনের জায়গায় তিনজন যার মধ্যে একজন উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ও একজন মিডওয়াইফ এবং একজন নাইট গার্ড দিয়েই স্বাস্থ্যসেবা নিষ্ঠার সাথে করা হচ্ছে। ১৫ ই এপ্রিল দুপুর পৌনে দুইটার দিকে সদর উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তার অফিসে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র ও সরঞ্জামাদি নিয়ে আসতে এবং নতুন সরঞ্জামাদির তালিকা প্রেরণ করতে ও চিকিৎসা সেবা নিতে আসা কোন রোগী উপস্থিত না থাকার কারণে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাওয়া হয়। এ নিয়ে আমার পেশাগত সুনাম ও ও স্বাস্থ্য বিভাগের সুনাম ক্ষুন্ন করতে একদল কুচক্রী মহল সংশ্লিষ্ট সংবাদদাতা কে ভুল তথ্য প্রদান করেছে।
তাই জামালপুর সদরের চন্দ্রা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
রাকিবা খাতুন
উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার।
চন্দ্রা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র
জামালপুর সদর, জামালপুর।